Stock news
শেয়ার কারসাজিতে ২১ কোটি টাকার বেশি মুনাফা, এবার অর্থের উৎস খুঁজছে বিএসইসি
শেয়ারবাজারে কারসাজির অভিযোগে দুই কোটি টাকা জরিমানার পর এবার অভিযুক্ত আজাদ হোসেন পাটোয়ারী ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নিয়েছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। এই লক্ষ্যে গত রোববার একটি আদেশ জারি করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) কাছ থেকে পাওয়া এক বিশেষ গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিএসইসি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে আজাদ হোসেন পাটোয়ারী ও তাঁর সহযোগীদের নামে বিভিন্ন তফশিলি ব্যাংক, স্টক ডিলার এবং স্টক ব্রোকার প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত হিসাবের আর্থিক লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।শেয়ার লেনদেন গাইড
বিএফআইইউর প্রতিবেদনে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় ইনসাইডার ট্রেডিং ও মার্কেট ম্যানিপুলেশনের মতো অপরাধে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ ও সন্দেহের বিষয় উঠে এসেছে বলে জানা গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিএসইসি এ-সংক্রান্ত তদন্ত কমিটি পুনর্গঠন করেছে। একই সঙ্গে আজাদ হোসেন পাটোয়ারী এবং তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের আর্থিক লেনদেন অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে নগদ অর্থের উৎস, অর্থের স্থানান্তর এবং সংশ্লিষ্ট লেনদেনের ধারাবাহিকতা যাচাইয়ের ওপর।
শেয়ারবাজারে ইনসাইডার ট্রেডিং ও শেয়ার কারসাজির অভিযোগে আজাদ হোসেন পাটোয়ারী আগে থেকেই আলোচনায় রয়েছেন। তালিকাভুক্ত কোম্পানি খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার নিয়ে সংঘটিত কারসাজির অভিযোগে বিএসইসির তদন্তে তাঁর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়। ২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ২৪ মার্চ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার নিয়ে কৃত্রিমভাবে লেনদেন এবং দর ওঠানামা করানোর অভিযোগের ভিত্তিতে গত মাসে তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয় কমিশন।