Skip to content
Latest stories

Stock news

তিন প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে আটকা ১৯.০৫ কোটি টাকা

সরকারী ৩ প্রতিষ্ঠানের কাছে দীর্ঘদিন ধরে ১৯ কোটি ৫ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত যমুনা অয়েল কোম্পানির। যা পরিশোধ না করার কারনে কোম্পানিটি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ফলে যমুনা অয়েলের মালিক সরকারসহ সাধারন শেয়ারহোল্ডাররাও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। এছাড়া যমুনা অয়েলের জমি সরকারি ২ প্রতিষ্ঠান দখলে নিলেও কোন অর্থ প্রদান বা লীজ চুক্তি না করায় ক্ষতিগ্রস্থ হতে হচ্ছে।নিরীক্ষক জানিয়েছেন, যমুনা অয়েল দীর্ঘদিন ধরে পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাছে ১৯ কোটি ৫ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। কিন্তু ওই প্রতিষ্ঠানগুলো যমুনা অয়েলকে টাকা পরিশোধ করছে না। কোম্পানিগুলোর মধ্যে পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের কাছে ১৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের কাছে ৫ কোটি ১ লাখ টাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৫৮ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে।এদিকে যমুনা অয়েলের ২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা মূল্যের ৫৯.৯৭ একর জমি রয়েছে। এরমধ্যে এখনো ২.৩০ একর কোম্পানির নামে রেজিস্ট্রি হয়নি। এছাড়া ১.৭১ একর জমি চিটাগাং ড্রাই ডক দখলে নিয়েছে এবং এয়ারপোর্টের রাস্তা নির্মাণের জন্য ০.৩৯ একর জমি অধিগ্রহন করেছে চিটাগাং ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি। তবে এর বিপরীতে কোন ক্ষতিপূরণ দেয়নি। এই পরিস্থিতিতে যমুনা অয়েল বিভিন্ন সময় দখলে নেওয়া জমির বিপরীতে চিটাগাং ড্রাই ডক কর্তৃপক্ষকে লীজ চুক্তির জন্য জানিয়েছে। অন্যথায় জমি ফেরত দিতে বলেছে। যা বাস্তবায়ন না হওয়ার কারনে যমুনা অয়েল আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।অন্যদিকে যমুনা অয়েল কর্তৃপক্ষ সঠিকভাবে স্থায়ী সম্পদের হিসাব সংরক্ষন করছে না বলে জানিয়েছেন নিরীক্ষক। এছাড়া নিরীক্ষার জন্য স্থায়ী সম্পদের পর্যাপ্ত প্রমাণাদি পায়নি নিরীক্ষক।উল্লেখ্য, সরকার নিয়ন্ত্রণাধীন ও ২০০৭ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া যমুনা অয়েলের পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১১০ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। এরমধ্যে সরকারের মালিকানা ৬০.০৮ শতাংশ ও শেয়ারবাজারের বিভিন্ন শ্রেণীর বিনিয়োগকারীদের মালিকানা ৩৯.৯২ শতাংশ। কোম্পানিটির শনিবার (০১ এপ্রিল) শেয়ার দর দাড়িঁয়েছে ১৭৮.৫০ টাকায়।

Share this story

Android app Stock News BD The same market briefs, formatted for your phone. Google Play