টানা দরপতনের পর সামান্য উত্থান, সতর্ক বিনিয়োগকারীরা
নামেমাত্র সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস পার করেছে দেশের শেয়ারবাজার। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সব সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। তবে লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অধিকাংশের শেয়ারদর বেড়েছে।বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, টানা দরপতনে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ ইতোমধ্যে হতাশ হয়ে পড়েছেন। বৃহস্পতিবার সূচকের সামান্য উত্থান তাদের মধ্যে নতুন করে সন্তুষ্টি বা আশাবাদ তৈরি করতে পারেনি। ফলে অনেক বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রি না করে আপাতত বাজারের গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করছেন। ধারাবাহিক দরপতনের কারণে অনেক বিনিয়োগকারী লোকসানে থাকায় তারা বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন।বাজারসংশ্লিষ্টরা আরও বলেন, বর্তমান কমিশনের প্রতিও বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে গেছে। স্থিতিশীল থাকা বাজারে হঠাৎ করে ধারাবাহিক দরপতন শুরু হবে—এমন পরিস্থিতি তাদের প্রত্যাশার বাইরে ছিল। স্থিতিশীল বাজারের সময়ে নতুন করে বিনিয়োগ করা অনেক বিনিয়োগকারীর মূলধন পরবর্তী ধারাবাহিক দরপতনে লোকসানে পড়েছে। ফলে বৃহস্পতিবারের নামেমাত্র সূচক বৃদ্ধিতে সেই লোকসান কাটিয়ে মুনাফায় ফেরার সুযোগ তৈরি হয়নি।স্থানীয় ট্যুর খুঁজুনতাদের মতে, টানা দরপতনের প্রতিবাদে ইতোমধ্যে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন। বাজার দ্রুত স্থিতিশীল না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি আসতে পারে। একই সঙ্গে বাজার যেভাবে নিয়মিত ও কার্যকরভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন, নতুন কমিশন সেভাবে করছে না বলেও অভিযোগ রয়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাব বাজারে পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।