তালিকাভুক্ত কোম্পানির তথ্য ফাঁসের দায়ে বিএসইসি কর্মকর্তার শাস্তি
পেশাগত অনাচার ও অফিশিয়াল গোপনীয়তা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সহকারী পরিচালক মো. ইব্রাহিম আলীর এক বছরের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) স্থগিত করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।মানচিত্র দেখুনবিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খান স্বাক্ষরিত এক গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ইব্রাহিম আলীর সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে তাঁকে স্বপদে পুনর্বহাল করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে এই প্রশাসনিক শাস্তি আরোপ করা হয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত ২০২৬ সালের ৪ মার্চ। নভানা ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি-এর পরিচালনা পর্ষদ নিয়ে একটি অভিযোগের তদন্ত চলা সত্ত্বেও, ইব্রাহিম আলী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ সংক্রান্ত একটি অনুমোদনহীন চিঠি জারি করেন।বিএসইসির তদন্তে দেখা যায়, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোনো প্রকার অনুমোদন ছাড়াই তিনি চিঠিটি ইস্যু করেছিলেন। কেবল তা-ই নয়, ওই দিন বিকেলেই তিনি ঢাকার আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের কাছে অফিস প্রাঙ্গণের বাইরে নভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি সচিব মো. আমিনুল হক ভূঁইয়ার সাথে গোপনে দেখা করেন। সেখানে তিনি অফিশিয়াল প্রোটোকল ও গোপনীয়তার নিয়ম লঙ্ঘন করে অননুমোদিত চিঠিটি হস্তান্তর করেন এবং ওই কর্মকর্তাকে সেটির ছবি তোলার সুযোগ দেন।ঘটনার পরদিন বিএসইসি কর্তৃপক্ষ তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি শুরুতে বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং মিথ্যা তথ্য দেন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।