স্থিতিশীলতার আগে সংস্কার নয়, বাজার সংশ্লিষ্টদের সতর্কবার্তা

Date: 2026-09-09 10:00:10
স্থিতিশীলতার আগে সংস্কার নয়, বাজার সংশ্লিষ্টদের সতর্কবার্তা
নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নানা তৎপরতার মধ্যেও শেয়ারবাজারের পতন ঠেকানো যায়নি। আগের কার্যদিবসের ধারাবাহিকতায় বুধবারও (০৯ সেপ্টেম্বর) সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে দেশের শেয়ারবাজারের লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক কমলেও টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে। পাশাপাশি লেনদেনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বেড়েছে।বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, বাজারের পতন ঠেকিয়ে কৃত্রিমভাবে উত্থান ঘটানোর যে চেষ্টা নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে করা হয়েছে, তা শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি। লেনদেনের শুরু থেকেই সূচকে এক ধরনের অস্থিরতা লক্ষ্য করা যায়। একপর্যায়ে বাজার পতনের দিকে গেলেও কৃত্রিমভাবে সূচক বাড়ানোর চেষ্টা হয়েছে বলে মনে করছেন তারা। এর মাধ্যমে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সক্রিয় রয়েছে—এমন একটি বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও বাজার সংশ্লিষ্টদের অভিমত।তাদের ভাষ্য, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা আগের তুলনায় অনেক বেশি সতর্ক। বাজারের স্বাভাবিক গতিবিধি এবং কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট উত্থান-পতনের পার্থক্য তারা এখন ভালোভাবেই বুঝতে পারছেন। ফলে শুধু সূচক ধরে রাখার চেষ্টা না করে বাজারের মৌলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই নিয়ন্ত্রক সংস্থার কমিশনের প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।বাজার সংশ্লিষ্টরা আরও বলেন, সংস্কার ও বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার আগে বাজারকে স্থিতিশীল করতে হবে। প্রথমে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে এনে পরবর্তী সময়ে সেই স্থিতিশীলতা ধরে রাখা এবং বাজারকে আরও আকর্ষণীয় করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে। এর ফলে বাজারে নতুন বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণ বাড়ার পাশাপাশি লেনদেনেও গতি ফিরবে। অন্যদিকে বাজার স্থিতিশীল না করে শুধু সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিলে তার সুফল পাওয়া কঠিন হবে।

Share this news