স্কয়ার ফার্মার পর যেসব শেয়ার ফ্লোর প্রাইস টপকানোর চেষ্টা

ভালো কোম্পানি হিসেবে পরিচিত স্কয়ার ফার্মার পর এবার আরও কয়েকটি কোম্পানির শেয়ার ফ্লোর প্রাইস বা সর্বনিম্ন দরসীমা থেকে বের হওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে এমজেএল বাংলাদেশ, বিএসআরএম স্টিল, ক্রাউন্ট সিমেন্ট, ইবনে সিনা ও এসিআই ফর্মুলেশন।ডিএসইর লেনদেন পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, এ ধরনের কিছু কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস বা এর থেকে সামান্য বেশি মূল্যে যে পরিমাণ শেয়ার বিক্রির আদেশ ছিল, তার মোট মূল্য ছিল কোম্পানিভেদে ১ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ ক্রেতা না থাকলেও শেয়ার বিক্রি করতে মরিয়া শেয়ারহোল্ডারের সংখ্যা কমেছে।বাজারসংশ্লিষ্টরা জানান, মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলো ফ্লোর প্রাইস থেকে বের হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। অবশ্য গ্রামীণফোন, বিএটি বাংলাদেশ, রবি, রেনাটা, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন, সাবমেরিন কেবলস, ব্র্যাক ব্যাংক, বেক্সিমকো ফার্মা, এসিআই লিমিটেড, ওয়ালটনসহ অনেক শেয়ার এখনও ফ্লোর প্রাইসে পড়ে আছে। প্রতিদিনই এসব কোম্পানির ৫ থেকে ৩০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রির আদেশ থাকছে।আজ মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১টা পর্যন্ত স্কয়ার ফার্মার শেয়ার দর ২০ পয়সা বেড়ে ২১০ টাকা ১০ পয়সায় সর্বশেষ লেনদেন হয়।সম্প্রতি ফ্লোরে পড়ে থাকা শেয়ারগুলোর কমপক্ষে ১ কোটি থেকে ১০০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রির আদেশ ছিল মোট ১১১ শেয়ারের। এর বিপরীতে এমজেএল বাংলাদেশের শেয়ার সর্বনিম্ন ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৮৭ টাকা ১০ পয়সায় কেনাবেচা হয়েছে। শেয়ারটির ফ্লোর প্রাইস ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা। শেষ পর্যন্ত ফ্লোর প্রাইসে নেমে এলেও এর আগে ২২ হাজার ২৬২ শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যার বাজারমূল্য ছিল ১৯ লাখ টাকা। গত এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে মে মাসের প্রায় পুরোটা সময়ে শেয়ারটি ফ্লোর প্রাইসের তুলনায় বেশি দরে কেনাবেচা হয়েছিল।১ লাখ টাকারও কম শেয়ার বিক্রির আদেশ ছিল বিএসআরএম স্টিল, বিএসআরএম লিমিটেড ও ক্রাউন সিমেন্টের। ইবনে সিনার শেয়ার বিক্রির আদেশ ছিল ১৩ লাখ টাকার। এসিআই ফর্মুলেশনের ছিল ২৪ লাখ টাকার। গত মাসেও প্রতিদিনই এসব কোম্পানির ২ থেকে ১০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রির আদেশ থাকত।