শেয়ারবাজারে ভালো মানের কোম্পানি আনতে নতুন উদ্যোগ বিএসইসির
শেয়ারবাজারে ভালো মানের ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রাহিতা বাড়াতে বেশ কিছু সংস্কারমূলক পদক্ষেপ হাতে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান। একইসঙ্গে শেয়ারবাজার সম্পূর্ণ নিজস্ব নিয়মেই ওঠানামা করবে উল্লেখ করে তিনি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য ধরে আস্থা বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।রাজধানীর নিকুঞ্জে অবস্থিত ডিএসই টাওয়ারের মাল্টি-পারপাস হলে ডিএসই ব্রোকারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) কর্তৃক আয়োজিত ‘দ্য কারেন্ট স্টেট অব দ্য বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট অ্যান্ড ওয়ে ফরওয়ার্ড’ শীর্ষক এক মুক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান। ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।বিএসইসি প্রধান তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পথ সহজ করতে ডাইরেক্ট লিস্টিং প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর ফলে প্রাথমিক পাবলিক অফারিং বা আইপিওর দীর্ঘমেয়াদি জটিলতা এড়িয়ে মাত্র দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই কোম্পানিগুলো বাজারে আসার সুযোগ পাবে। এ সংক্রান্ত খসড়া নীতিমালা শিগগিরই কমিশনের ওয়েবসাইটে সর্বসাধারণের মতামতের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এছাড়া চাইলে এখন থেকে আইপিও এবং ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের একটি সমন্বিত বা ‘হাইব্রিড’ মডেলেও মূলধন উত্তোলন করতে পারবে প্রতিষ্ঠানগুলো।তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, সিকিউরিটিজ আইনের ২০ নম্বর ধারা অনুযায়ী জনস্বার্থ রক্ষার্থে যেকোনো কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করতে বাধ্য করার আইনি এখতিয়ার বিএসইসির রয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু ক্যাটাগরির ‘পাবলিক ইন্টারেস্ট’ সংস্থাকে শেয়ারবাজারে অন্তর্ভুক্ত করতে সেই আইনি পাওয়ার বা ক্ষমতা প্রয়োগের উদ্দেশ্যে নতুন বিধিমালা তৈরি করা হচ্ছে।