শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালকের শেয়ার বিক্রি সম্পন্ন

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের উদ্যোক্তা পরিচালক আক্কাস উদ্দিন মোল্লাহ তার কাছে থাকা ব্যাংকটির ২ কোটি ১৭ লাখ শেয়ার বিক্রি সম্পন্ন করেছেন। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্লক মার্কেটে বিদ্যমান বাজারদরে তিনি এ শেয়ার বিক্রি করেছেন। এর আগে ২২ জুন তিনি এ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছিলেন। সে সময় তার কাছে ব্যাংকটির মোট ৪ কোটি ৪০ লাখ ৭ হাজার ১২৪টি শেয়ার ছিল। সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১২ শতাংশ নগদ ও ৩ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকের সমন্বিত কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৩৫৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৫৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির সমন্বিত নিট মুনাফা বেড়েছে ৯৮ কোটি ৫১ লাখ টাকা বা ৩৮ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৩১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৪০ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ২০ টাকা ৩২ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৮ টাকা ৩৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৮৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৮ টাকা ৩৫ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৭ টাকা ৪৬ পয়সা।২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১২ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক। এর মধ্যে ৭ শতাংশ নগদ ও বাকি ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ২০১৯ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল ব্যাংকটি। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও বাকি ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ২০১৮ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল তারা। আগের হিসাব বছরেও একই হারে স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।এদিকে সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৯৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৯৪ পয়সা। সে হিসাবে আলোচ্য প্রান্তিকে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস বেড়েছে ৪ পয়সা বা ৪ দশমিক ২৬ শতাংশ। গত ৩১ মার্চ শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ২০ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৮ টাকা ৩৩ পয়সা।