নিয়ন্ত্রক সংস্থার নীরবতায় দরপতনের গভীরতা বাড়ছে শেয়ারবাজারে
টানা দরপতনের ধারাবাহিকতায় দেশের শেয়ারবাজারে আবারও বড় পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। গতকালের পর আজ সোমবার (২৪ আগস্ট) সপ্তাহের দ্বিতীয় কর্মদিবসেও সূচকের পতন হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সব সূচক কমার পাশাপাশি টাকার অংকে লেনদেনও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এদিন লেনদেনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমেছে।বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে টানা দরপতনের কারণে ডিএসইর প্রধান সূচক প্রায় দুই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে টাকার অংকে লেনদেনও প্রায় পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এমন পরিস্থিতির পরও নিয়ন্ত্রক সংস্থার নীরব ভূমিকা বিনিয়োগকারীদের হতাশ করেছে। পাশাপাশি বাজারের ভবিষ্যৎ নিয়েও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে শেয়ারবাজার বড় ধরনের ধসের মুখে পড়তে পারে। ইতোমধ্যে বর্তমান কমিশনের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে গেছে বলেও মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। দিন যত যাচ্ছে, নতুন কমিশনের ব্যর্থতার বোঝা ততই ভারী হচ্ছে।বাজারসংশ্লিষ্টদের আরও অভিযোগ, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের শেয়ারবাজার যেভাবে স্থিতিশীলতার দিকে এগোচ্ছিল, বর্তমান কমিশনের সময়ে সেই ধারাবাহিকতা থমকে গেছে। অথচ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং বাজারের উন্নয়নের লক্ষ্যেই সরকার নতুন কমিশন গঠন করেছিল। কিন্তু কমিশনের কার্যক্রম বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশাকে হতাশায় পরিণত করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।