ডিভিডেন্ড মৌসুমেও পতন, আস্থা ধরে রাখতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার হস্তক্ষেপ জরুরি
পতনের বাজারে কম দামে ভালো শেয়ার কিনে বাজার ঘুরে দাঁড়ালে কাঙ্ক্ষিত মুনাফা করা সম্ভব। কিন্তু সেই ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষা যদি দীর্ঘ হতে থাকে এবং ধারাবাহিক পতন থামার কোনো লক্ষণ দেখা না যায়, তাহলে লাভের সম্ভাবনার বদলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরি হতে পারে গভীর আস্থার সংকট। একপর্যায়ে ধৈর্য হারিয়ে লোকসানেই শেয়ার বিক্রি করে বাজার ছাড়তে পারেন অনেক বিনিয়োগকারী। এমন পরিস্থিতিতে বাজারের আস্থা ধরে রাখতে ধারাবাহিক পতন ঠেকিয়ে বাজারকে স্বাভাবিক ধারায় ফেরাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকর ভূমিকা জরুরি বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।তাদের মতে, শেয়ারবাজারে উত্থান-পতন থাকাটাই স্বাভাবিক। তবে একটানা উত্থান কিংবা ধারাবাহিক পতন—কোনোটিই বাজারের জন্য ইতিবাচক নয়। বর্তমানে জুন ক্লোজিং কোম্পানিগুলোর ডিভিডেন্ড ঘোষণার মৌসুম চলছে। এ সময়ে সাধারণত বাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। বরং বাজারে টানা দরপতন অব্যাহত রয়েছে, যা নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করছে।বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ধারাবাহিক দরপতনের মধ্যেও বাজারকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। এতে বিনিয়োগকারীদের হতাশা আরও বাড়ছে। বাজারের প্রতি আস্থা ও বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার এখনই সক্রিয় হওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি বাজার মনিটরিং জোরদার করে দরপতনের কারণ অনুসন্ধান এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।