ব্রোকার ও সম্পদ ব্যবস্থাপকদের দুর্বল নজরদারির ঝুঁকিতে বিনিয়োগকারীরা

Date: 2026-10-12 06:00:05
ব্রোকার ও সম্পদ ব্যবস্থাপকদের দুর্বল নজরদারির ঝুঁকিতে বিনিয়োগকারীরা
শেয়ারবাজারে ব্রোকারেজ হাউস ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিনিয়োগকারীদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠলেও এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর সংশ্লিষ্ট সমিতিগুলোর স্বনিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। ফলে প্রতারণা ও অনিয়ম থেকে বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সমিতিগুলোর নিজস্ব নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের পাশাপাশি অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা থাকা জরুরি।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বনিয়ন্ত্রণের অর্থ শুধু ভালো চর্চায় উৎসাহ দেওয়া নয়; বরং নীতিমালা লঙ্ঘন ও অসদাচরণের ঘটনায় সদস্যপদ বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করাও এর অংশ। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খানও এ ক্ষেত্রে সমিতিগুলোর সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতে, সদস্যদের স্বার্থ রক্ষার পরিবর্তে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিলেই স্বনিয়ন্ত্রণ কার্যকর হতে পারে।বাংলাদেশে অ্যাসোসিয়েশন অব অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিজ অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ডস থাকলেও সংগঠনটি প্রায় নিষ্ক্রিয়। সম্পদ ব্যবস্থাপকদের বড় একটি অংশ এতে যুক্ত হতে আগ্রহী নয়। কারণ, সংগঠনটির কাঠামোয় প্রতিটি মিউচুয়াল ফান্ডের জন্য একটি করে ভোটের ব্যবস্থা থাকায় বেশি সম্পদ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রভাব তুলনামূলক বেশি। এতে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সিদ্ধান্তের প্রাধান্য তৈরি হয় এবং তাদের অনিয়ম উপেক্ষিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত।

Share this news