বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগের অভাবে কাটছে না শেয়ারবাজারের দুর্দশা
দেশের শেয়ারবাজারে টানা দরপতনের ধারা অব্যাহত রয়েছে। আগের দুই কর্মদিবসের মতো আজও (২৫ আগস্ট) সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সব সূচকের মধ্যে দুটির পতন হয়েছে, পাশাপাশি টাকার অঙ্কে লেনদেনও কমেছে। তবে এদিন লেনদেনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে।বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ধারাবাহিক দরপতন ঠেকাতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ বা বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। তাদের ভাষ্য, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর শেয়ারবাজার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যে প্রত্যাশা সৃষ্টি হয়েছিল, সময়ের সঙ্গে তা ক্রমেই হতাশায় পরিণত হচ্ছে। সরকার শেয়ারবাজারের উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বললেও সাম্প্রতিক সময়ে তার দৃশ্যমান প্রতিফলন বাজারে দেখা যাচ্ছে না।তাদের আরও দাবি, বাজার পর্যবেক্ষণ ও মনিটরিং কার্যক্রমও প্রত্যাশিত মাত্রায় কার্যকর হচ্ছে না। কাগজে-কলমে বাজার উন্নয়নে হাতে গোনা কয়েকটি উদ্যোগ নেওয়া হলেও সেগুলোর বাস্তব ও কার্যকর প্রয়োগ এখন পর্যন্ত চোখে পড়ছে না। এ কারণেই বাজারের এমন বেহাল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, প্রায় ৬ হাজার পয়েন্টের কাছাকাছি অবস্থান করা বাজার কেন ধারাবাহিকভাবে তলানির দিকে নেমে যাচ্ছে, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে বাজার আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে।বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, সপ্তাহের তৃতীয় কর্মদিবস মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩ দশমিক ৪৮ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৬৪০ দশমিক ০৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অন্যদিকে শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস ২ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১২৬ দশমিক ৮৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ব্লু-চিপ কোম্পানিগুলো নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ৪ দশমিক ৭৩ পয়েন্ট হারিয়ে ২ হাজার ১২৬ দশমিক ১১ পয়েন্টে নেমেছে।