৫ দিনে শেয়ারটির দর বেড়েছে ৩৪ শতাংশ : লেনদেন সোয়া তিনশ কোটি টাকা

খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি ফু-ওয়াং ফুডস লিমিটেডের প্রায় ৩২৫ কোটি টাকা মূল্যমানের শেয়ার গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে। এর ভিত্তিতে আলোচ্য সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সর্বোচ্চ লেনদেনের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে কোম্পানিটি। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারদর ৩৪ শতাংশের বেশি বেড়ে এক্সচেঞ্জটির সর্বোচ্চ দর বাড়ার তালিকায়ও শীর্ষে রয়েছে কোম্পানিটি। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা যায়, গত সপ্তাহে ফু-ওয়াং ফুডসের মোটি ৮ কোটি ৬৫ লাখ ১৯ হাজার ১৮৪টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৩২৪ কোটি ৬৬ লাখ ১২ হাজার টাকা। আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনে কোম্পানিটির অবদান ছিল ৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। গত সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ৩২ টাকা। সপ্তাহ শেষে দর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ টাকা ৯০ পয়সায়। সে হিসাবে সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ১০ টাকা ৯০ পয়সা বা ৩৪ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) ফু-ওয়াং ফুডসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১১ পয়সা। আর সর্বশেষ তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৯৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময় শেষে যা ছিল ১১ টাকা ৭০ পয়সায়।৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশের সুপারিশ করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ২৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যেখানে ইপিএস ছিল ৫ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩ টাকা ১৮ পয়সায়, আগের হিসাব বছরের একই সময় শেষে যা ছিল ১১ টাকা ৮৫ পয়সায়।৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরেও শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫০ পয়সা। এর আগে ২০১৯-২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল ফু-ওয়াং ফুডস। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরের জন্য ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। তার আগের তিন হিসাব বছরে ১০ শতাংশ হারে স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। এছাড়া ২০১৪-১৫ হিসাব বছরে ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পায় শেয়ারহোল্ডাররা।২০০০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ফু-ওয়াং ফুডসের অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ১১০ কোটি ৮৩ লাখ ৯০ হাজার। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৭৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।